কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫ এ ১২:২৭ AM
কন্টেন্ট: পাতা
| ক্রমিক | তথ্যের বিবরণ | পরিমাণ |
| ১ | আয়তন | ২,৮১০ বর্গ কিঃ মিঃ |
| ২ | জনসংখ্যা | |
| ৩ | উপজেলা | ১০ টি |
| ৪ | পৌরসভা | ০৫ টি (১.নেত্রকোণা, ২.মোহনগঞ্জ, ৩.দূর্গাপুর, ৪. কেন্দুয়া, ও ৫.মদন)। |
| ৫ | ইউনিয়ন | ৮৬ টি |
| ৬ | সীমান্তফাঁড়ি | ০৮ টি |
| ৭ | গ্রাম | ২,২৯৯ টি |
| ৮ | যোগাযোগব্যবস্থা |
|
| ক. রেল পথ | ৬৫ কি. মি. | |
| খ. সড়ক পথ | পাকা সড়কঃ ৫৬৬ কিঃ মিঃ,কাঁচা সড়কঃ ১৬৬০ কিঃ মিঃ | |
| গ. নদী পথ | ২০০ নটিক্যাল মাইল (প্রায়) | |
| ১০ টি উপজেলার মধ্যে ৯ টির জেলা সদরের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিদ্যমান আছে। কিন্তু খালিয়াজুরী উপজেলার সাথে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। | ||
| ৯ | জেলার সাথে ঢাকার যোগাযোগ |
|
| সড়কপথ | নেত্রকোণো থেকে ঢাকার দূরত্ব প্রায় ১৬২ কিঃ মিঃ (নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ-ঢাকা)। খালিয়াজুরি উপজেলা সদর ব্যতীত অন্যান্য সকল উপজেলা সদর থেকে ঢাকার সাথে সরাসরি বাস সার্ভিস চালু আছে। | |
| রেলপথ | প্রায় ১৮৩ কিঃ মিঃ। ৩০আগষ্ট ২০১৩ হতে 'হাওড় এক্সপ্রেস' নামে ঢাকা-মোহনগঞ্জ ভায়া নেত্রকোণা রুটে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস চালু হয়েছে। তবে পূর্ব হতেই মোহনগঞ্জ--নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে মেইল ট্রেন সার্ভিস চালু আছে। এছাড়া প্রতিদিন ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ভায়া নেত্রকোণা রুটে ২টি লোকাল ট্রেন সার্ভিস চালু আছে। | |
| ১০ | জেলার সাথে উপজেলার (Head Quarter) যোগাযোগ | |
| নেত্রকোণা সদর | ১০০মিটার, ৫ মিনিট | |
| বারহাট্টা | ১৬কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-৪০ মিনিট। | |
| আটপাড়া | ১৯কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-৪৫ মিনিট। | |
| কেন্দুয়া | ২৭কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-৪০মিনিট। | |
| মদন | ৩০কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-১ ঘন্টা। | |
| মোহনগঞ্জ | ৩০কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-১ ঘন্টা। | |
| পূর্বধলা | ২০কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-১ ঘন্টা। | |
| দুর্গাপুর | ৪৫কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-২ ঘন্টা। | |
| কলমাকান্দা | ৩৩কিঃ মিঃ, সড়ক পথে যাতায়াতের সময়-২ ঘন্টা। | |
| খালিয়াজুরী | ৫৫.০০কিঃ মিঃ, বর্ষাকালে ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে ৩.০০ ঘন্টা, শুষ্কমৌসুমে মোটর গাড়ী যোগে ৩.৩০ঘন্টা এবং মোটর গাড়ী, ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও পদব্রজে ৪.৩০ ঘন্টা। | |
| ১১ | হেলিপ্যাড | খালিয়াজুরী উপজেলা ব্যতিত সকল উপজেলায় হেলিপ্যাড রয়েছে। |
| ১২ | টেলিযোগাযোগব্যবস্থা | জেলার সকল উপজেলার সাথে ডিজিটাল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা চালু আছে। |
| ১৩ | মোবাইলনেটওয়ার্ক | জেলার সকল উপজেলা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। |
| ১৪ | ফ্যাক্স | জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় গুলোতে ফ্যাক্স রয়েছে। |
| ১৫ | কৃষি | ৪,৭৩,০০০.০০ একর |
| আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ | ৫১,৩৩১.০০ একর | |
| অনাবাদী জমির পরিমাণ | ৬৬,০৬৫.৬৯ একর | |
| খাস জমির পরিমাণ | কৃষি-৩৫৯৮৩.৮৭ একর, অকৃষি- ১৭১৫৭.১৩ একর। বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমির পরিমাণ- ২৩০২৭.২৮(কৃষি), ৩০৪.৮২(অকৃষি)। | |
| ১৬ | শিক্ষা প্রতিষ্ঠান | |
| মহাবিদ্যালয় | ২৭টি (সরকারী ৩টি এবং বেসরকারী ২৪টি) | |
| শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় | ০১টি | |
| উচচ বিদ্যালয় | ১৮৭টি (সরকারী ৬টি এবং বেসরকারী ১৮১টি) | |
| জুনিয়র স্কুল | ৫৯টি | |
| সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় | ৬৩০টি | |
| বে-সরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয় | ৪৬৩টি | |
| বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় | ১৪৪টি | |
| ইংরেজী মাধ্যম প্রাঃ বিদ্যালয় | ০১টি | |
| কারিগরী প্রতিষ্ঠান | ০২টি (সরকারী ১টি এবং বেসরকারী ১টি) | |
| প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | ১টি | |
| মাদ্রাসা | ৩১০টি(কামিল-০১টি,ফাযিল-৯টি,আলিম-১৪টি, দাখিল-৫৯টি এবংএবতেদায়ী-২২৭টি) | |
| সরকারীশিশু পরিবার (বালক) | ০১টি | |
| এতিমখানা | ০৫টি | |
| উপজাতীয় কালচালার একাডেমী | ০১টি | |
| পাবলিক লাইব্রেরী-কাম-অডিটরিয়াম | ০৬টি | |
| ১৭ | চিকিৎসাঃ |
|
| আধুনিক সদর হাসপাতাল | ০১টি | |
| উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স | ০৯টি | |
| ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র | ৬২টি | |
| মাতৃসদনও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র | ০১টি | |
| কমিউনিটি ক্লিনিক | ২৪৪ টি | |
| ১৮ | অন্যান্য | |
| প্রেস | ২২টি | |
| বি,জি,বি ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টার | ০১টি | |
| টেলিফোন অফিস | ১০টি | |
| সাধারণ পাঠাগার | ০২টি | |
| এল,এস,ডি গোডাউন | ১৫টি | |
| এফ,এস, গোডাউন | ৩০টি | |
| স্টেডিয়াম | ০১টি | |
| জেলা হিসেবে শুভ উদ্বোধন | ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৪ খ্রিঃ। | |
| ১৯ | দর্শনীয় স্থান | বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, দূর্গাপুর। |
| টংক আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ, দূর্গাপুর। | ||
| রাণীখং মিশন টিলাতে ক্যাথলিক গির্জা, দূর্গাপুর। | ||
| বিরিশিরি কালচারাল একাডেমী, দূর্গাপুর। | ||
| কমলা রাণীর দীঘি, দূর্গাপুর। | ||
| কথিত নইদ্যা ঠাকুরের ভিটা, দূর্গাপুর। | ||
| রাশমণি স্মৃতি সৌধ, দূর্গাপুর। | ||
| লেগুরা, চেংটি, গোবিন্দপুরের পাহাড়ের নৈসর্গিক দৃশ্য, কলমকাকান্দা। | ||
| সাত শহীদের মাজার, কলমকাকান্দা। | ||
| হযরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমী (রাঃ)-এঁর মাজার শরীফ, নেত্রকোণা সদর। | ||
| রোয়াইলবাড়ীর পুরার্কীতি, কেন্দুয়া। | ||
| ২০ | সমস্যা | নেত্রকোণা শহরের যানজট নিরসন কল্পে মোহনগঞ্জ-ঢাকা সড়কে কোন বাইপাস সড়ক নেই। |
| নেত্রকোণা পৌরসভাস্থ মগড়া নদীর উপর নির্মিত মোক্তারপাড়া ব্রীজটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। | ||
| নেত্রকোণার বিস্তৃত হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল নয়। | ||
| নেত্রকোণা-কেন্দুয়া, নেত্রকোণা- পূর্বধলা, এবং নেত্রকোণা- কলমাকান্দা রাস্তার বেহাল অবস্থা। | ||
| ২১ | সম্ভাবনা | সিরামিকও কাঁচশিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত সাদামাটি ও কাঁচবালি হিসেবে দূর্গাপুরে পাওয়া যায়, যা দিয়ে দূর্গাপুরে সিরামিক কাঁচশিল্প স্থাপনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। |
| পর্যটন শিল্পের বিকাশে দুর্গাপুরের বিজয়পুর, বিরিশিরি, কলমাকান্দার লেঙ্গুরা এবং কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ীতে অবস্থিত মোগল স্থাপত্যকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র গড়েতোলা যেতে পারে। | ||
| বিজয়পুর স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিসহ জেলায় কর্মসংস্থান ও ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। | ||
| হাওরবাওর বেষ্টিত ভাটি অঞ্চল হওয়ায় মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিসহ মাছের অভয়াশ্রম সৃষ্টির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। |